বুধবার ০৬, মে ২০২৬

বুধবার ০৬, মে ২০২৬ -- : -- --

চবি যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে আন্তর্জাতিক কর্মশালা

চবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৬ মে ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

কর্মশালায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত আলোচনা পর্ব

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘সোশ্যাল ইমোশনাল লার্নিং অ্যান্ড মিডিয়া লিটারেসি’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ মে ২০২৬) বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত আলোচনা পর্ব গড়ে ওঠে।

সকাল ৯টায় শুরু হওয়া কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক শাহাব উদ্দিন নীপু। সঞ্চালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক রাজীব নন্দী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, আজকের ‘সোশ্যাল ইমোশনাল লার্নিং অ্যান্ড মিডিয়া লিটারেসি’ টপিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। বর্তমান সময়ে ইমোশনাল লার্নিং এবং মিডিয়া সম্পর্কে জানার খুবই প্রয়োজন রয়েছে। মাননীয় উপাচার্য বলেন, আমাদের জীবন পুষ্পশোভিত নয়। নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে আমাদের জীবন অতিবাহিত হয়। এসব সমস্যাগুলোর মধ্যে কিছু সমস্যা আবেগপ্রবণ হয়ে আবার কিছু সমস্যা কার্যকরভাবে সমাধান করতে হয়। অপরদিকে জীবনের সব সিদ্ধান্ত যেমন ইমোশনাল হয়ে নেওয়া ঠিক নয় তেমনি ইমোশনকে বাদ দিয়েও সব করা যায় না। মাননীয় উপাচার্য যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যক্তি, সঠিক কাজ এবং উপযুক্ত সময় নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন।

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, জীবনে অনেক সমস্যা থাকতে পারে, সেটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। কোনো সমস্যা মানুষের জীবনের কাজের গতিকে থামিয়ে দিতে পারে না। আশা করি, আজকের কর্মশালায় ইমোশন, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে করণীয়, জীবনচর্যা এবং আধুনিক মিডিয়া সম্পর্কে আলোচনা হবে এবং প্রশিক্ষণার্থীরা সেসব শিখে উপকৃত হবে। মাননীয় উপাচার্য আগত অতিথি, বিভাগের সভাপতিসহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন ভারতের নয়াদিল্লির সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির আর্টস অ্যান্ড ডিজাইন অনুষদের প্রফেসর ড. অম্বরীশ সাক্সেনা এবং ইউনেস্কো এমজিআইইপি’র ন্যাশনাল প্রজেক্ট অফিসার (এসইএল ইয়ুথ প্রোগ্রাম) ড. রিচা বানসাল।

বক্তারা তাদের আলোচনায় বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সমাজে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা ও মিডিয়া লিটারেসির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের দক্ষতা এবং মানসিকভাবে স্থিতিশীল থেকে গণমাধ্যম ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জন আজকের শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে নৈতিক সাংবাদিকতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা জোরদারে এ ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটি (এসএইউ), নয়াদিল্লি এবং ইউনেস্কো মহাত্মা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন ফর পিস অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (MGIEP)-এর সহযোগিতায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

Link copied!