বৃহস্পতিবার ১২, মার্চ ২০২৬

বৃহস্পতিবার ১২, মার্চ ২০২৬ -- : -- --

পিএসসি জানাল নার্স পরীক্ষার সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম

ফাইল ফটো

সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে সিনিয়র স্টাফ নার্সের বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি এগোয়নি। এ পরিস্থিতিতে বহুল প্রতীক্ষিত ৮২৮টি সিনিয়র স্টাফ নার্স পদের লিখিত পরীক্ষা আগামী মে মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। যদিও এখনো পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণের জন্য কাজ চলছে।

২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের জন্য সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১০ম গ্রেডের এই পদে মোট ৮২৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে গত বছরের অক্টোবরেই। তবে প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা না হওয়ায় অনেক চাকরিপ্রার্থী অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন নন-ক্যাডার পদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, লিখিত খাতা মূল্যায়ন এবং মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে কমিশনের ব্যস্ততা চলছে। এসব কাজের চাপের কারণেই সিনিয়র স্টাফ নার্স পদের পরীক্ষার তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মে মাসের মধ্যেই এই পরীক্ষার আয়োজন করা হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

অন্যদিকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রায় ২ হাজার ৭০০টি সিনিয়র স্টাফ নার্সের পদ খালি রয়েছে। এর মধ্যে ৮২৮টি পদের জন্য ইতোমধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বাকি শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের জন্যও উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে অধিদপ্তর। এ বিষয়ে পিএসসির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, নার্সিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে নিবন্ধন পাওয়ার পর সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন অনেকেই। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষার কোনো খবর না থাকায় তাদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। তারা দ্রুত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ম গ্রেডের এই পদে নিয়োগ পেলে বেতন স্কেল হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকট কিছুটা হলেও কমবে এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত হবে।

Link copied!