শনিবার ০৭, নভেম্বর ২০২৬

শনিবার ০৭, নভেম্বর ২০২৬ -- : -- --

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে জাবি উপাচার্যের শ্রদ্ধা

জাবি থেকে ইমরুল কায়েস

প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১২ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নির্ভর করে কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা এবং জনগণের আস্থার ওপর। ১৯৭৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে এ দুটি বিষয়ই ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার সম্মিলিত উত্থান সেই শূন্যতা পূরণ করে। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে আসে, প্রশাসন সচল হয় এবং রাষ্ট্র দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতৃত্ব পায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ সেদিন প্রমাণ করেছিল, দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে এ দেশের জনগণ, কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি নয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শনে স্থিতিশীলতার অর্থ স্থবিরতা ছিল না; বরং শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে গতিশীলতা অর্জনই ছিল এর মূল লক্ষ্য। রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তিনি কৃষি, উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

উপাচার্য বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শিক্ষা হলো, স্থিতিশীলতা কেবল ক্ষমতার জোরে প্রতিষ্ঠিত হয় না; বরং জনগণ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক আস্থা থেকেই তা আসে। ৭ নভেম্বরের সংহতির চেতনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় কাজ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৭ নভেম্বর কেবল একটি ঘটনার স্মারক নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রচিন্তার সূচনাবিন্দু। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্য, স্থিতিশীলতার জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং অগ্রগতির জন্য গণতন্ত্র—এই তিন ভিত্তির ওপর একটি আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Link copied!