শনিবার ০৭, নভেম্বর ২০২৬

শনিবার ০৭, নভেম্বর ২০২৬ -- : -- --

কুবি শিক্ষার্থী-পুলিশের ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স-সংলগ্ন এলাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ সদস্যদের মধ্যে সংঘটিত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হককে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ এবং সহকারী প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান। কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (নিরাপত্তা শাখা) মোহাম্মদ ছাদেক হোসেন মজুমদারকে।

অফিস আদেশে বলা হয়, কমিটিকে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে সাত কর্মদিবসের মধ্যে উপাচার্যের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি চিঠি পেয়েছি। অফিস আদেশ অনুযায়ী, আমরা খুব শিগগিরই সভায় বসব এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করব। সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত সম্পন্নের মাধ্যমে নির্ধারিত সাত কর্মদিবসের মধ্যে উপাচার্যের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের লক্ষ্যে আমরা এই তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। মূলত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুমিল্লা নগরের পুলিশ লাইন এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে তল্লাশি শুরু করেন তিন ব্যক্তি। এ সময় পরিচয় জানতে চাইলে তাঁরা পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। পরে তাঁদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে ছিনতাইকারী সন্দেহে তিনজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁদের মধ্যে একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), একজন কনস্টেবল এবং অপরজন পুলিশের সোর্স বলে পরিচয় নিশ্চিত হয়। পরে প্রক্টর অফিসে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।

Link copied!