রবিবার ১৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬

রবিবার ১৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে প্রশংসা কুড়াচ্ছে হাবিপ্রবি শিক্ষক মারুফের ৯ খাদ্যপণ্য

হাবিপ্রবি থেকে ডালিম চন্দ্র রায়

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ পিএম

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ হাবিপ্রবি শিক্ষক ড. মারুফ আহমেদের উদ্ভাবিত খাদ্যপণ্যগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে।

উদ্ভাবন, গবেষণা, শিল্প ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন এবং উদ্ভাবনকে বাজার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢাকায় শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’। শেরে বাংলা নগরের নভোথিয়েটারে শনিবার শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ গবেষণায় উদ্ভাবিত বিভিন্ন খাদ্যপণ্য নিয়ে অংশ নিয়েছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন বিভাগের প্রফেসর ড. মারুফ আহমেদের উদ্ভাবিত ৯টি খাদ্যপণ্য।

স্টলে থাকা পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে তরমুজের খোসা ও কাঁচা পেঁপে দিয়ে তৈরি টুটি ফ্রুটি, কাঁঠালের গুড়, দীর্ঘ সময় সংরক্ষণযোগ্য লিচু, টক দইয়ের পাউডার, মিষ্টি দইয়ের পাউডার, হাইড্রোজ ফ্রি মোরব্বা, তাপ-প্রক্রিয়াজাত ব্লাক গার্লিক, জিরো ওয়েস্ট টমেটো পাউডার এবং টমেটো সস পাউডার।

পণ্যগুলোর মধ্যে ভিন্নতা এসেছে মূলত কাঁচামালের ব্যবহার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতিতে। তরমুজের খোসা ও কাঁচা পেঁপের মতো কম ব্যবহৃত উপাদান দিয়ে টুটি ফ্রুটি তৈরি করা হয়েছে। কাঁঠালের পোস্ট হারভেস্ট লস কমানোর লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে কাঁঠালের গুড়।

দীর্ঘ সময় সংরক্ষণযোগ্য লিচু এবং দইয়ের পাউডার তৈরির মাধ্যমে প্রচলিত খাদ্যপণ্যের সংরক্ষণ ও ব্যবহারে নতুন ধরন যুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে তাপ-প্রক্রিয়াজাত ব্লাক গার্লিক, হাইড্রোজ ফ্রি মোরব্বা এবং জিরো ওয়েস্ট টমেটো পাউডারে ভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কাঁচামালের ব্যবহারের ধারণা রয়েছে।

এসব পণ্যের মূল আকর্ষণ হলো স্থানীয় কৃষিপণ্যকে নতুনভাবে ব্যবহার করে মূল্য সংযোজন করা এবং কৃষিজ উপাদানের অপচয় কমানোর চেষ্টা। বিশেষ করে সাধারণত কম ব্যবহৃত উপাদানগুলোকে খাদ্যপণ্য তৈরিতে কাজে লাগানো এ উদ্যোগের অন্যতম দিক।

ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড প্রিজারভেশন বিভাগের প্রফেসর ড. মারুফ আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে হাবিপ্রবি কর্তৃক উদ্ভাবিত ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছানোর মতো উপযোগী প্রযুক্তি জনগণ ও দেশের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। নিরাপদ খাবার ও টেকসই পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে হাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ মনে করে।”

Link copied!