ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৬ এএম
বৃহস্পতিবার ০৬, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --
ফাইল ফটো
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসনের উদ্যোগে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে চারটি আবাসিক হলে গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ছাত্র হল ও দুটি ছাত্রী হলে এ গণভোজ অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট ৩ হাজার ১৩০ জন শিক্ষার্থী টোকেন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলে ১ হাজার জন, শহীদ মসিয়ুর রহমান হলে ৯০০ জন, তাপসী রাবেয়া হলে ৫৩০ জন এবং বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে ৭০০ জন শিক্ষার্থী টোকেন সংগ্রহ করেছেন।
প্রশাসনসূত্রে জানা যায়, গণভোজে মাথাপিছু ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা ৭০ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৯০ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষ ৪০ টাকা করে বহন করছে।
খাবারের মেন্যুতে রাখা হয়েছে মুন্সী মেহেরুল্লাহ হল ও শহীদ মসিয়ুর রহমান হলে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুগ ডাল, দই, সফট ড্রিংকস ও সালাদ পরিবেশন করা হবে। অন্যদিকে তাপসী রাবেয়া হল ও বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে কাচ্চি, মোরগ পোলাও, দই ও সফট ড্রিংক পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হবে।
বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার বলেন, “জুলাই আমাদের কাছে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রতীক। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য গণভোজের আয়োজন করেছে। আমি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। আমি ও আমার সহপাঠীরা টোকেন সংগ্রহ করেছি। আশা করছি, খাবারের মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক হবে।”
এ বিষয়ে মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুর রউফ সরকার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আমাদের হলে আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী টোকেন সংগ্রহ করেছে। আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে যবিপ্রবি প্রশাসন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি এ গণভোজের আয়োজন করেছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।