প্রকাশিত: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:১৯ পিএম
সরকারি তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থীকে বেপরোয়া বাস চালানোর প্রতিবাদ করায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে আলিফ পরিবহনের একটি বাসের চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে আলিফ পরিবহনের তিনটি বাস আটক করে কলেজ ক্যাম্পাসে নিয়ে গেছেন শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসগুলো কলেজ ক্যাম্পাসে আনা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, আলিফ পরিবহনের A/202 নম্বর বাসে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে তারা বাসগুলো আটক করেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল আমিন সরকার বলেন, 'আমি বনশ্রী থেকে মিরপুর-১০ যাওয়ার পথে আলিফ পরিবহনের একটি বাসে উঠি। পথে দুটি বাস বেপরোয়া গতিতে একে অপরকে ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল। শেওড়াপাড়ায় পৌঁছালে একটি বাস সড়কের ডিভাইডারের ওপর উঠে যায়। এতে ৮ থেকে ৯ জন যাত্রী আহত হন।'
তিনি বলেন, 'আমি এর প্রতিবাদ করলে চালক ও হেলপারদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা আমাকে বেধড়ক মারধর করে।'
আটক বাসগুলোর একটির হেলপার ইব্রাহিম বলেন, 'সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিক্ষার্থীরা আমাদের বাস ক্যাম্পাসে নিয়ে আসে। ঠিক কোন বাসের সঙ্গে কী ঘটনা ঘটেছে, তা আমরা জানি না। অন্য একটি আলিফ বাসের সঙ্গে সমস্যা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমাদের বাসের সঙ্গে কোনো ঘটনা ঘটেনি।'
তিনি আরও বলেন, 'একজন শিক্ষার্থীর হাত কেটে যাওয়ার একটি ছবি আমাদের মোবাইলে দেখানো হয়েছে। ওই ঘটনার জের ধরেই বাসগুলো আটক করা হয়েছে বলে আমাদের জানানো হয়েছে। আমাদের কোনো দোষ নেই, তাই বাসগুলো ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানাই।'
ঘটনার পর কলেজ শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট চালক ও হেলপারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে গণপরিবহনে বেপরোয়া চালনা ও যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
