জাককানইবি থেকে রবিউল ইসলাম শাকিল
প্রকাশিত: ০১ মে ২০২৬, ০৬:৫৫ এএম
শুক্রবার ০১, মে ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক (জিরো পয়েন্ট) পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ানো ভাঙা রাস্তাটি জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে বিশেষ ডিও লেটার প্রদান করেন।এরই প্রেক্ষিতে ‘গ্রামীন সড়ক’ মেরামত এবং সংরক্ষন খাতের আওতায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
গৃহীত প্রকল্পটির আওতায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত (০০মি.-২২৫০মি. এবং ২৫২৫মি.-২৫৫২মি.) রাস্তাটি সংস্কার করা হবে। এই কাজের জন্য মোট ব্যয় বরাদ্দ করা হয়েছে ১ কোটি ৪৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭০ টাকা। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, কার্যাদেশ পাওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাইয়ানুল করিম জানান, "ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশায় আমরা দীর্ঘ দিন ধরে চরম ভোগান্তিতে ছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই সংস্কারের উদ্যোগ আমাদের জন্য স্বস্তির খবর। আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান স্যারকে, যাঁর প্রচেষ্টায় এই দুর্ভোগের অবসান হতে যাচ্ছে। আমরা আশা করি, নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যেই গুণগত মান বজায় রেখে কাজটি শেষ হবে।"
উল্লেখ্য যে, আগামী ২৫শে মে ১২৭তম নজরুল জন্মজয়ন্তী জাতীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ত্রিশালে আগমনের কথা রয়েছে। এই রাষ্ট্রীয় সফর এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি সংস্কার এখন সময়ের দাবি ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের শর্তানুযায়ী কাজের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কোনো সাব-কন্ট্রাক্টর নিয়োগ করা যাবে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উন্নত মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ শেষ করতে হবে।
এই উন্নয়ন কাজের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার মাধ্যমে সড়কটি যাতায়াতের উপযোগী হবে বলে প্রত্যাশা সকলের।