প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন ও নতুন তথ্য এন্ট্রির সময়সীমা বাড়িয়েছে। মেধা ও সাধারণ—উভয় ধরনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর (জিটুপি পদ্ধতি) লক্ষ্যে এই সময়সীমা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা এবং এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত রাজস্ব খাতভুক্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএস সফটওয়্যারে হালনাগাদ করতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল-২০২৪ ও ২০২৫ এবং আলিম-২০২৩ ও ২০২৪ পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের তথ্য যথাযথভাবে আপডেট করা বাধ্যতামূলক।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক মাদ্রাসা থেকে পাঠানো তথ্যের মধ্যে বিভিন্ন ভুল পাওয়া গেছে। আবার কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত ত্রুটির কারণে পূর্বে পাঠানো বৃত্তির অর্থ ‘বাউন্স ব্যাক’ হয়ে ফিরে এসেছে। এছাড়া প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনেক আবেদন ভুল লিংকে চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব সমস্যা সমাধানের সুযোগ দিতে তথ্য সংশোধন ও পুনরায় এন্ট্রির সময় বাড়ানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীর নিজ নামে অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসীলভুক্ত ব্যাংকে ১৩ থেকে ১৭ ডিজিটের ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। ব্যাংক হিসাবের নাম ও শিক্ষার্থীর নাম অবশ্যই একই হতে হবে।
যেসব শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বৃত্তি পেয়েও বর্তমানে মাদ্রাসা, স্কুল বা কলেজে অধ্যয়নরত, তাদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (dme.finance.gov.bd) আবেদন করতে হবে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই আবেদন যেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) লিংকে জমা না পড়ে।
এছাড়া যারা আবেদন করার পর ‘রিভিউ’ অপশন দেখতে পাননি, তাদের পুনরায় আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যে এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের কাজ শেষ করতে হবে। তথ্য প্রেরণে কোনো ধরনের ভুল বা অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়ী থাকবেন বলে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে জেডিসি ও ইবতেদায়ী পর্যায়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা পরে আলাদাভাবে জানানো হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
