প্রকাশিত: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭-এ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। ৩ নভেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত এ র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি দক্ষিণ এশিয়ায় ৩৭তম এবং এশিয়াজুড়ে ২১৬তম অবস্থান অর্জন করেছে।
জাতীয় পর্যায়েও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সর্বশেষ কিউএস এশিয়া র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে দ্বিতীয় এবং সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস ২০২৭-এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকেও উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে ডিআইইউ। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক (আইআরএন) সূচকে এশিয়ায় ১৪৬তম, একাডেমিক রেপুটেশন সূচকে ১৬৮তম এবং সাইটেশনস পার পেপার সূচকে ২৫০তম অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এসব অর্জন আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, একাডেমিক ক্ষেত্রে স্বীকৃতি এবং প্রকাশিত গবেষণার বৈশ্বিক প্রভাবের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির অগ্রগতির পরিচায়ক।
ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টি স্মার্ট ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস থেকে আধুনিক গবেষণা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করছে। উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থা, গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন এবং বৈশ্বিক একাডেমিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও সমৃদ্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি।
এ অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি ও স্কলার, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অ্যালামনাই, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও অভিন্ন লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়টির এ সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ অর্জিত এ সাফল্য বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার অগ্রযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অবদানকে আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর পরিচিতি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
