প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বহুমুখী ধারার সংগীতচর্চা এবং ব্যান্ডসংগীতের প্রসারের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটি (জেইউবিএস)’ নামে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন আদিত্য ভৌমিক ও সদস্য সচিবের দায়িত্বে আছেন নাইমুল হক নব। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আশির দশকের বাংলা ব্যান্ডগুলোকে শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত ‘রিওয়াইন্ড ৮০’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
আয়োজকেরা জানান, বাঙলার শিকড়ের গান থেকে শুরু করে বিশ্বসংগীতের বিভিন্ন ধারাকে ব্যান্ড মিউজিকের মাধ্যমে জানা, শেখা ও নতুনভাবে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি করাই জাবি ব্যান্ড সোসাইটির অন্যতম লক্ষ্য। ক্যাম্পাসে যারা ইতিমধ্যে ব্যান্ডসংগীতের সঙ্গে যুক্ত বা যারা নতুন করে যুক্ত হতে চান কিংবা বাদ্যযন্ত্র শিখতে চান, সবার জন্যই এটি একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম।
সংগঠনটির আহ্বায়ক ও নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আদিত্য ভৌমিক বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক চর্চাটা সব সময় দারুণ। ব্যান্ড সংগীত চর্চা করে এমন অনেক শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য আমাদের এই প্ল্যাটফর্ম যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিবছর ব্যান্ড সংগীতকে কেন্দ্র করে নানান আয়োজন রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সকল ঘরানার সংগীত চর্চা ও বাদ্যযন্ত্র শেখানোর কাজ আরও সহজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে বলে আমরা আশা রাখছি।”
সংগঠনটির সদস্যসচিব ও পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুল হক নব বলেন, ‘প্রচলিত আছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক রাজধানী। সকল ধারার সংস্কৃতি চর্চার জায়গাটা নিশ্চিত করা প্রকৃত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বলে আমি মনে করি। ব্যান্ড সংগীতকে কেন্দ্র করে আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো সংগঠন একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে, এই উদ্দেশ্যে বেশ আগে থেকেই পর্যায়ক্রমে আলোচনা হয়ে আসছে। অবশেষে আমরা একই প্ল্যাটফর্মে একসাথে হতে পেরেছি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু সঙ্গীতের চর্চা নয়, এটিকে ধারণ করা ও নতুন মোড়কে উপস্থাপন করা।”
নতুন এই সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটিতে মুখপাত্র হিসেবে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের মীর সোয়াদ জাবের, কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সৈকত কুমার কানু। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অরুণিমা পাল, একই ব্যাচের মইনুল ইসলাম মুনিম এবং মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান।
