প্রকাশিত: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার পথনির্দেশনা দিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) দুই দিনব্যাপী ‘স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যাল : সিজন-১’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। খুলনা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি (কেইউআরএস)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ ফেস্টিভ্যালের সমাপনী অনুষ্ঠান শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রম এবং গবেষণার বিকল্প নেই।
উপাচার্য বলেন, উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তিনি শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র প্রকাশে প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত। তিনি বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ অর্জনের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা এবং গবেষণার সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা শেষে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, গবেষণা একটি আজীবনের যাত্রা এবং স্কলারশিপ সেই যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপসংক্রান্ত তথ্য ও সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন, কেইউআরএস-এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. মতিউল ইসলাম, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মো. ইয়াছিন আহমেদ এবং সভাপতি চয়ন বক্সী।
ফেস্টিভ্যালের দ্বিতীয় দিনের সেশনে ‘DAAD Scholarship’ এবং ‘MEXT Scholarship’ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, প্রস্তুতি কৌশল ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। এছাড়া যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।
দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
