রবিবার ০২, আগস্ট ২০২৬

রবিবার ০২, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

যবিপ্রবির ১১ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার, এক শিক্ষকেরই ৭টি

ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১১টি গবেষণাপত্র বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া এসব গবেষণাপত্রের মধ্যে একজন শিক্ষকের নামই রয়েছে সাতটিতে। 

আন্তর্জাতিকভাবে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট সম্পাদকীয় নোটিশ সংরক্ষণকারী রিট্রাকশন ওয়াচ ডাটাবেইজে সম্প্রতি অনুসন্ধান করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তালিকায় যবিপ্রবির জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগসহ একাধিক বিভাগের গবেষকদের নাম রয়েছে।

তালিকার তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যাহার হওয়া সাতটি গবেষণাপত্রে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেনের।

অপ্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র ব্যবহার, প্রত্যাহারসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির জবাব না দেওয়া এবং অন্যান্য অনিয়মের অভিযোগে তাঁর "Rapid hydrothermal synthesis of mesoporous NiS2 and NiSe2 nanostructures for wastewater treatment" শিরোনামের গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করা হয়। এ ছাড়া পৃথক আরও ছয়টি প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রেও তাঁর নাম রয়েছে।

এদিকে অপ্রাসঙ্গিক তথ্যসূত্র, সন্দেহজনক প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় এবং গবেষণায় লেখকদের অবদানের ব্যাখ্যা ও প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে "The experimental significance of isorhamnetin as an effective therapeutic option for cancer: A comprehensive analysis" শিরোনামের গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করা হয়। এ গবেষণাপত্রে যবিপ্রবির বিভিন্ন শিক্ষার্থীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হাসানের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া ড. নাজমুল হাসানের আরও একটি প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রের শিরোনাম "Advanced implications of nanotechnology in disease control and environmental perspectives"।

আরও একটি করে প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রে নাম রয়েছে ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সরোয়ার ই মাহফুজ এবং নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স বিভাগের প্রভাষক অঞ্জন কুমার রায়ের।

এ বিষয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, "আমরা এ বিষয়টি যাচাই বাছাই করবো এবং কোনো ক্রুটি পেলে সে বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।"

Link copied!