প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ কেন্দ্র ‘আনন্দশালা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বুধবার ( ২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে নয়টায় আনন্দশালা প্রাঙ্গণে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, "উন্নত বিশ্বে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সরকারও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সরকার অনুসৃত নীতির আলোকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের কল্যাণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করবে।"
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে আনন্দশালার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ অগ্রগতিতে পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ। তিনি আনন্দশালার অবকাঠামোগত ও সার্বিক উন্নয়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
আনন্দশালা স্কুলের পরিচালক (অনারারি) অধ্যাপক ড. রুমানা রইছের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, আইবিএ-জেইউ’র পরিচালক অধ্যাপক ড. আইরীন আক্তার, অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল ইসলাম এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাসরীন সুলতানা।
উল্লেখ্য, দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহায়তায় এ ধরনের বিশেষায়িত কেন্দ্র রয়েছে। ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ‘আনন্দশালা’। ১৭ বছরের পরিক্রমায় বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২৫ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে, যাদের নিবিড় প্রশিক্ষণে নিয়োজিত রয়েছেন ৬ জন শিক্ষক।
