প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
সফল গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা, অ্যালামনাইদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শীর্ষ নিয়োগদাতাদের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্লেসমেন্ট সেলিব্রেশন ডে ২০২৬’।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (সিডিসি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সফল গ্র্যাজুয়েটদের সাফল্য উদযাপন করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যালামনাইদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক জোরদার এবং কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সেরা নিয়োগদাতা’ হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দেবদুলাল রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুবুল করিম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. নাদির বিন আলী।
এ সময় ড্যাফোডিল পরিবারের চেয়ারম্যান ও ডিআইইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
দিনব্যাপী আয়োজনের শুরুতে চাকরিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েটদের সংবর্ধনা ও নিবন্ধন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরে সফল গ্র্যাজুয়েটরা তাদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল চাকরিপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েটদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বাধীনতা সম্মেলন কেন্দ্র’ থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে ‘নলেজ টাওয়ারে’ গিয়ে শেষ হয়। এ সময় ডিআইইউ রোভার স্কাউট ও বিএনসিসি সদস্যরা অংশগ্রহণকারীদের ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন।
আয়োজনের একটি ব্যতিক্রমী দিক ছিল পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। প্রচলিত ফুলের তোড়া দেওয়ার পরিবর্তে সম্মানিত গ্র্যাজুয়েটদের স্যাশের পাশাপাশি শোভা বর্ধনকারী গাছ উপহার দেওয়া হয়। ‘আপনার সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করি’ বার্তাসংবলিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন ও পেশাগত অগ্রগতির প্রতীকী বার্তা তুলে ধরা হয়।
দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। আয়োজকরা জানান, গ্র্যাজুয়েটদের সাফল্য উদযাপন এবং তাদের পেশাগত উন্নয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
