ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাওহিদ ইসলাম
প্রকাশিত: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
শুক্রবার ০৬, নভেম্বর ২০২৬ -- : -- --
ছবি| ক্যাম্পাস রিপোর্ট
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) '১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
শুক্রবার (০৬) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়র কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বেলুন ও শান্তির প্রতিক পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এসময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এনইউএম অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মনিরুল আলম সরকার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ও অধ্যাপক ড. আবদুল আল মোহিত-সহ বিভাগটির অন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন বলেন, গণিত অলিম্পিয়াডের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের কাছে গণিতকে সহজ, আনন্দদায়ক ও বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করা। ১৯৯৪ সালে কায়কোবাদ স্যারের হাত ধরে শুরু হওয়া এ আয়োজন বর্তমানে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ২০২৭ সালে গণিত অলিম্পিয়াডের রজতজয়ন্তী পূর্ণ হবে, এটি উল্লেখ করে তিনি আগামী আয়োজনটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে করার আহ্বান জানান।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, গণিত শুধু একাডেমিক বিষয় বা হিসাব-নিকাশের মাধ্যম নয়, বরং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও যৌক্তিক চিন্তার মৌলিক ভিত্তি। জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত সমাজ গঠনে গণিতের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা জরুরি। ডিজিটালাইজেশন ও এআই-এর যুগে আজকের এই সেশন সত্যিই চমৎকার ও গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ, বাংলাদেশ গণিত সমিতি ও এ এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় ইংরেজি মাধ্যমে ১২০ মিনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিটির মান ১০ নম্বর করে সর্বমোট ৮০ নম্বরের ৮টি গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে দেওয়া হয়।
আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা আগামী ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। জাতীয় পর্যায়ের সেরা প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতা (IMC)-এ বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবেন।